কুমড়া বড়ি এমন স্বাদের একটা খাবার যা একটা খেলে আরেকটা খেতে ইচ্ছে করবেই। কখন যে টপাটপ ৪-৫ টা সাবাড় করে দিবেন টেরই পাবেন না। যারা খাবারে স্বাদ পাচ্ছেন না তারা একবার ট্রাই করে দেখুন। হাতেনাতে ফল পাবেন। গ্যারান্টেড ! কুমড়ো বড়ি তৈরির উপকরণ: কুমড়ো বড়ি তৈরির প্রধান উপকরণ হলো চালকুমড়ো (Ash gourd) ও ডাল। এই ডালটি মাষকলাইয়ের ডাল, বিউলির ডাল, উরোদের ডাল-বিভিন্ন নামে পরিচিত। পেশি গঠনে: আমরা জানি, কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাষকলাইয়ের ডাল। এই ডাল প্রোটিনের চমৎকার উৎস। পেশির কোষের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। শরীরের বৃদ্ধিতে ডালে থাকা প্রোটিন খুবই দরকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান অনেক বেশি। মাসকলাই ডালও খাদ্য আঁশে পরিপূর্ণ। এতে দুই ধরনের ফাইবার আছে। সলুয়েবল বা দ্রবনীয় ও ইনসলুয়েবল বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ইনসলুয়েবল ফাইবার বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ এবং খাদ্য পরিপাকের সহায়তায় সলুয়েবল ফাইবার বা দ্রবনীয় খাদ্য আঁশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । হজমশক্তি বাড়ায়: চালকুমড়া ও কলাইয়ের ডাল দুটোতেই প্রচুর ফাইবার আছে বলে কুমড়ো বড়ি খেলে হজম ভালো হয়। বলবর্ধক: এতে প্রচুর লৌহ বা আয়রন আছে বলে এটি স্বাস্থ্যকর। এই ডালের বড়ি শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে, শরীরকে সক্রিয় রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান খুব বেশি যা রক্তে শর্করার স্তরকে কার্যকরভাবে উন্নত করতে পারে। এপিডিমিওলোজিক্যাল পর্যালোচনা থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে, যথেষ্ট পরিমানে শস্য জাতীয় খাবার গ্রহন করলে তা ডায়াবেটিস মেলিটাস (T2DM) এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ব্যথানাশক: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মাষকলাই ডালের দারুণ ব্যথানাশক গুণের কথা বলা হয়। অস্থিসন্ধির ব্যথা সারাতে এ ডাল উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাতেও কুমড়োবড়িতে বিদ্যমান মাষকলাই ডালের- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখা গেছে। কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাসকলাই ডালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে যা কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় যেমন – কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার। হার্ট ভালো রাখতে: হার্ট ভালো রাখতে মাষকলাই ডাল উপকারী। এতে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।কুমড়ো বড়ি কিভাবে খাওয়া হয়?কুমড়ো বড়ি বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি (পালং-শাক,বাঁধাকপি, সজনে ডাটা) ও মাছের সঙ্গে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন বহু আগের। ভোজন রসিকদের খাবারে বাড়তি স্বাদ এনে দেয় কুমড়ো বড়ি।কুমড়া বড়ি হালকা করে তেলে ভেজে তরকারির সাথে রান্না করতে হয়, যা তরকারির স্বাদ কে দ্বিগুণ করে দেয়। ভালো বড়ি তরকারি তে দিলে সিদ্ধ হয়ে রসে টসটসে হয়ে থাকে, যা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। শীতের সকালে বড়ির তরকারির মজাই আলাদা, শিং মাছে একটু বড়ি দিন, না হলে কৈ অথবা শোল মাছে। দিয়ে দেখুন কী অমৃত এক স্বাদ এনে দেয়। এছাড়া বোয়াল, রুই, কাতলসহ যে কোন মাছেই মানিয়ে যায় এই কুমড়া বড়ি। দেশি পুঁটি মাছ, মায়া চেলা বা মৌরলা মাছ বা ধরুন ডিম, রুই মাছ কুমড়ো বড়ি দিয়ে রান্না করলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায় শতগুন। সারাবছরই বিভিন্ন তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া যায় কুমড়োর বড়ি। কারণ তৈরিকৃত বড়ি সংরক্ষণ করে রাখা যায় সারা বছর জুড়ে। চিন্তা করছেন হাতের কাছে তো মাছ নাই। তাতেও কোন সমস্যা নাই। বেগুন, আলু বা লাউ যেকোন তরকারীকে কুমড়া বড়ি করে তুলবে অতুলনীয়। শুধু কী তাই বড়ি ভেঙে পেয়াজ, রসুন আর কাঁচা মরিচ মিশিয়েও অসাধারণ এক ভর্তা করা যায়। যা অনেকেই জানেন না। অনেকেই ভাবেন কুমড়া বড়ি তো সবসময় পাওয়া যায় না৷ তাতে কী? বেশি করে কুমড়া বড়ি নিয়ে নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করেই সারা বছর রেখে খেতে পারবেন।
মাসকলাই ডালের কুমড়ো বড়
কুমড়া বড়ি এমন স্বাদের একটা খাবার যা একটা খেলে আরেকটা খেতে ইচ্ছে করবেই। কখন যে টপাটপ ৪-৫ টা সাবাড় করে দিবেন টেরই পাবেন না। যারা খাবারে স্বাদ পাচ্ছেন না তারা একবার ট্রাই করে দেখুন। হাতেনাতে ফল পাবেন। গ্যারান্টেড ! কুমড়ো বড়ি তৈরির উপকরণ: কুমড়ো বড়ি তৈরির প্রধান উপকরণ হলো চালকুমড়ো (Ash gourd) ও ডাল। এই ডালটি মাষকলাইয়ের ডাল, বিউলির ডাল, উরোদের ডাল-বিভিন্ন নামে পরিচিত। পেশি গঠনে: আমরা জানি, কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাষকলাইয়ের ডাল। এই ডাল প্রোটিনের চমৎকার উৎস। পেশির কোষের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। শরীরের বৃদ্ধিতে ডালে থাকা প্রোটিন খুবই দরকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান অনেক বেশি। মাসকলাই ডালও খাদ্য আঁশে পরিপূর্ণ। এতে দুই ধরনের ফাইবার আছে। সলুয়েবল বা দ্রবনীয় ও ইনসলুয়েবল বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ইনসলুয়েবল ফাইবার বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ এবং খাদ্য পরিপাকের সহায়তায় সলুয়েবল ফাইবার বা দ্রবনীয় খাদ্য আঁশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । হজমশক্তি বাড়ায়: চালকুমড়া ও কলাইয়ের ডাল দুটোতেই প্রচুর ফাইবার আছে বলে কুমড়ো বড়ি খেলে হজম ভালো হয়। বলবর্ধক: এতে প্রচুর লৌহ বা আয়রন আছে বলে এটি স্বাস্থ্যকর। এই ডালের বড়ি শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে, শরীরকে সক্রিয় রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান খুব বেশি যা রক্তে শর্করার স্তরকে কার্যকরভাবে উন্নত করতে পারে। এপিডিমিওলোজিক্যাল পর্যালোচনা থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে, যথেষ্ট পরিমানে শস্য জাতীয় খাবার গ্রহন করলে তা ডায়াবেটিস মেলিটাস (T2DM) এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ব্যথানাশক: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মাষকলাই ডালের দারুণ ব্যথানাশক গুণের কথা বলা হয়। অস্থিসন্ধির ব্যথা সারাতে এ ডাল উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাতেও কুমড়োবড়িতে বিদ্যমান মাষকলাই ডালের- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখা গেছে। কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাসকলাই ডালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে যা কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় যেমন – কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার। হার্ট ভালো রাখতে: হার্ট ভালো রাখতে মাষকলাই ডাল উপকারী। এতে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।কুমড়ো বড়ি কিভাবে খাওয়া হয়?কুমড়ো বড়ি বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি (পালং-শাক,বাঁধাকপি, সজনে ডাটা) ও মাছের সঙ্গে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন বহু আগের। ভোজন রসিকদের খাবারে বাড়তি স্বাদ এনে দেয় কুমড়ো বড়ি।কুমড়া বড়ি হালকা করে তেলে ভেজে তরকারির সাথে রান্না করতে হয়, যা তরকারির স্বাদ কে দ্বিগুণ করে দেয়। ভালো বড়ি তরকারি তে দিলে সিদ্ধ হয়ে রসে টসটসে হয়ে থাকে, যা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। শীতের সকালে বড়ির তরকারির মজাই আলাদা, শিং মাছে একটু বড়ি দিন, না হলে কৈ অথবা শোল মাছে। দিয়ে দেখুন কী অমৃত এক স্বাদ এনে দেয়। এছাড়া বোয়াল, রুই, কাতলসহ যে কোন মাছেই মানিয়ে যায় এই কুমড়া বড়ি। দেশি পুঁটি মাছ, মায়া চেলা বা মৌরলা মাছ বা ধরুন ডিম, রুই মাছ কুমড়ো বড়ি দিয়ে রান্না করলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায় শতগুন। সারাবছরই বিভিন্ন তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া যায় কুমড়োর বড়ি। কারণ তৈরিকৃত বড়ি সংরক্ষণ করে রাখা যায় সারা বছর জুড়ে। চিন্তা করছেন হাতের কাছে তো মাছ নাই। তাতেও কোন সমস্যা নাই। বেগুন, আলু বা লাউ যেকোন তরকারীকে কুমড়া বড়ি করে তুলবে অতুলনীয়। শুধু কী তাই বড়ি ভেঙে পেয়াজ, রসুন আর কাঁচা মরিচ মিশিয়েও অসাধারণ এক ভর্তা করা যায়। যা অনেকেই জানেন না। অনেকেই ভাবেন কুমড়া বড়ি তো সবসময় পাওয়া যায় না৷ তাতে কী? বেশি করে কুমড়া বড়ি নিয়ে নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করেই সারা বছর রেখে খেতে পারবেন।. মাসকলাই ডালের কুমড়ো বড়ি kumrobori 250 grams
কুমড়া বড়ি এমন স্বাদের একটা খাবার যা একটা খেলে আরেকটা খেতে ইচ
মাসকলাই ডালের কুমড়ো বড়ি kumrobori 250 grams. কুমড়া বড়ি এমন স্বাদের একটা খাবার যা একটা খেলে আরেকটা খেতে ইচ্ছে করবেই। কখন যে টপাটপ ৪-৫ টা সাবাড় করে দিবেন টেরই পাবেন না। যারা খাবারে স্বাদ পাচ্ছেন না তারা একবার ট্রাই করে দেখুন। হাতেনাতে ফল পাবেন। গ্যারান্টেড ! কুমড়ো বড়ি তৈরির উপকরণ: কুমড়ো বড়ি তৈরির প্রধান উপকরণ হলো চালকুমড়ো (Ash gourd) ও ডাল। এই ডালটি মাষকলাইয়ের ডাল, বিউলির ডাল, উরোদের ডাল-বিভিন্ন নামে পরিচিত। পেশি গঠনে: আমরা জানি, কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাষকলাইয়ের ডাল। এই ডাল প্রোটিনের চমৎকার উৎস। পেশির কোষের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। শরীরের বৃদ্ধিতে ডালে থাকা প্রোটিন খুবই দরকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান অনেক বেশি। মাসকলাই ডালও খাদ্য আঁশে পরিপূর্ণ। এতে দুই ধরনের ফাইবার আছে। সলুয়েবল বা দ্রবনীয় ও ইনসলুয়েবল বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ইনসলুয়েবল ফাইবার বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ এবং খাদ্য পরিপাকের সহায়তায় সলুয়েবল ফাইবার বা দ্রবনীয় খাদ্য আঁশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । হজমশক্তি বাড়ায়: চালকুমড়া ও কলাইয়ের ডাল দুটোতেই প্রচুর ফাইবার আছে বলে কুমড়ো বড়ি খেলে হজম ভালো হয়। বলবর্ধক: এতে প্রচুর লৌহ বা আয়রন আছে বলে এটি স্বাস্থ্যকর। এই ডালের বড়ি শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে, শরীরকে সক্রিয় রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান খুব বেশি যা রক্তে শর্করার স্তরকে কার্যকরভাবে উন্নত করতে পারে। এপিডিমিওলোজিক্যাল পর্যালোচনা থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে, যথেষ্ট পরিমানে শস্য জাতীয় খাবার গ্রহন করলে তা ডায়াবেটিস মেলিটাস (T2DM) এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ব্যথানাশক: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মাষকলাই ডালের দারুণ ব্যথানাশক গুণের কথা বলা হয়। অস্থিসন্ধির ব্যথা সারাতে এ ডাল উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাতেও কুমড়োবড়িতে বিদ্যমান মাষকলাই ডালের- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখা গেছে। কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাসকলাই ডালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে যা কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় যেমন – কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার। হার্ট ভালো রাখতে: হার্ট ভালো রাখতে মাষকলাই ডাল উপকারী। এতে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।কুমড়ো বড়ি কিভাবে খাওয়া হয়?কুমড়ো বড়ি বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি (পালং-শাক,বাঁধাকপি, সজনে ডাটা) ও মাছের সঙ্গে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন বহু আগের। ভোজন রসিকদের খাবারে বাড়তি স্বাদ এনে দেয় কুমড়ো বড়ি।কুমড়া বড়ি হালকা করে তেলে ভেজে তরকারির সাথে রান্না করতে হয়, যা তরকারির স্বাদ কে দ্বিগুণ করে দেয়। ভালো বড়ি তরকারি তে দিলে সিদ্ধ হয়ে রসে টসটসে হয়ে থাকে, যা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। শীতের সকালে বড়ির তরকারির মজাই আলাদা, শিং মাছে একটু বড়ি দিন, না হলে কৈ অথবা শোল মাছে। দিয়ে দেখুন কী অমৃত এক স্বাদ এনে দেয়। এছাড়া বোয়াল, রুই, কাতলসহ যে কোন মাছেই মানিয়ে যায় এই কুমড়া বড়ি। দেশি পুঁটি মাছ, মায়া চেলা বা মৌরলা মাছ বা ধরুন ডিম, রুই মাছ কুমড়ো বড়ি দিয়ে রান্না করলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায় শতগুন। সারাবছরই বিভিন্ন তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া যায় কুমড়োর বড়ি। কারণ তৈরিকৃত বড়ি সংরক্ষণ করে রাখা যায় সারা বছর জুড়ে। চিন্তা করছেন হাতের কাছে তো মাছ নাই। তাতেও কোন সমস্যা নাই। বেগুন, আলু বা লাউ যেকোন তরকারীকে কুমড়া বড়ি করে তুলবে অতুলনীয়। শুধু কী তাই বড়ি ভেঙে পেয়াজ, রসুন আর কাঁচা মরিচ মিশিয়েও অসাধারণ এক ভর্তা করা যায়। যা অনেকেই জানেন না। অনেকেই ভাবেন কুমড়া বড়ি তো সবসময় পাওয়া যায় না৷ তাতে কী? বেশি করে কুমড়া বড়ি নিয়ে নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করেই সারা বছর রেখে খেতে পারবেন।
সর্বনিম্ন কমিশনে পণ্য বিক্রি করুন Baveli.com এ । এখন ই রেজিষ্টেশন করে পৌছে যান সারা বাংলাদেশের কাস্টমারদের কাছে Register Now
কুমড়া বড়ি এমন স্বাদের একটা খাবার যা একটা খেলে আরেকটা খেতে ইচ্ছে করবেই। কখন যে টপাটপ ৪-৫ টা সাবাড় করে দিবেন টেরই পাবেন না। যারা খাবারে স্বাদ পাচ্ছেন না তারা একবার ট্রাই করে দেখুন। হাতেনাতে ফল পাবেন। গ্যারান্টেড !
কুমড়ো বড়ি তৈরির উপকরণ: কুমড়ো বড়ি তৈরির প্রধান উপকরণ হলো চালকুমড়ো (Ash gourd) ও ডাল। এই ডালটি মাষকলাইয়ের ডাল, বিউলির ডাল, উরোদের ডাল-বিভিন্ন নামে পরিচিত।
পেশি গঠনে: আমরা জানি, কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাষকলাইয়ের ডাল। এই ডাল প্রোটিনের চমৎকার উৎস। পেশির কোষের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে মাষকলাই ডাল। শরীরের বৃদ্ধিতে ডালে থাকা প্রোটিন খুবই দরকারি।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান অনেক বেশি। মাসকলাই ডালও খাদ্য আঁশে পরিপূর্ণ। এতে দুই ধরনের ফাইবার আছে। সলুয়েবল বা দ্রবনীয় ও ইনসলুয়েবল বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ইনসলুয়েবল ফাইবার বা অদ্রবনীয় খাদ্য আঁশ এবং খাদ্য পরিপাকের সহায়তায় সলুয়েবল ফাইবার বা দ্রবনীয় খাদ্য আঁশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।
হজমশক্তি বাড়ায়: চালকুমড়া ও কলাইয়ের ডাল দুটোতেই প্রচুর ফাইবার আছে বলে কুমড়ো বড়ি খেলে হজম ভালো হয়।
বলবর্ধক: এতে প্রচুর লৌহ বা আয়রন আছে বলে এটি স্বাস্থ্যকর। এই ডালের বড়ি শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে, শরীরকে সক্রিয় রাখে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: চালকুমড়াতে ডায়েটারি ফাইবারের পরিমান খুব বেশি যা রক্তে শর্করার স্তরকে কার্যকরভাবে উন্নত করতে পারে। এপিডিমিওলোজিক্যাল পর্যালোচনা থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে, যথেষ্ট পরিমানে শস্য জাতীয় খাবার গ্রহন করলে তা ডায়াবেটিস মেলিটাস (T2DM) এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ব্যথানাশক: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মাষকলাই ডালের দারুণ ব্যথানাশক গুণের কথা বলা হয়। অস্থিসন্ধির ব্যথা সারাতে এ ডাল উপকারী।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাতেও কুমড়োবড়িতে বিদ্যমান মাষকলাই ডালের- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখা গেছে। কুমড়ো বড়ির প্রধান উপাদান মাসকলাই ডালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে যা কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় যেমন – কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার।
হার্ট ভালো রাখতে: হার্ট ভালো রাখতে মাষকলাই ডাল উপকারী। এতে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।
কুমড়ো বড়ি কিভাবে খাওয়া হয়?
কুমড়ো বড়ি বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি (পালং-শাক,বাঁধাকপি, সজনে ডাটা) ও মাছের সঙ্গে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন বহু আগের। ভোজন রসিকদের খাবারে বাড়তি স্বাদ এনে দেয় কুমড়ো বড়ি।
কুমড়া বড়ি হালকা করে তেলে ভেজে তরকারির সাথে রান্না করতে হয়, যা তরকারির স্বাদ কে দ্বিগুণ করে দেয়। ভালো বড়ি তরকারি তে দিলে সিদ্ধ হয়ে রসে টসটসে হয়ে থাকে, যা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। শীতের সকালে বড়ির তরকারির মজাই আলাদা, শিং মাছে একটু বড়ি দিন, না হলে কৈ অথবা শোল মাছে। দিয়ে দেখুন কী অমৃত এক স্বাদ এনে দেয়। এছাড়া বোয়াল, রুই, কাতলসহ যে কোন মাছেই মানিয়ে যায় এই কুমড়া বড়ি। দেশি পুঁটি মাছ, মায়া চেলা বা মৌরলা মাছ বা ধরুন ডিম, রুই মাছ কুমড়ো বড়ি দিয়ে রান্না করলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায় শতগুন। সারাবছরই বিভিন্ন তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া যায় কুমড়োর বড়ি। কারণ তৈরিকৃত বড়ি সংরক্ষণ করে রাখা যায় সারা বছর জুড়ে। চিন্তা করছেন হাতের কাছে তো মাছ নাই। তাতেও কোন সমস্যা নাই। বেগুন, আলু বা লাউ যেকোন তরকারীকে কুমড়া বড়ি করে তুলবে অতুলনীয়। শুধু কী তাই বড়ি ভেঙে পেয়াজ, রসুন আর কাঁচা মরিচ মিশিয়েও অসাধারণ এক ভর্তা করা যায়। যা অনেকেই জানেন না। অনেকেই ভাবেন কুমড়া বড়ি তো সবসময় পাওয়া যায় না৷ তাতে কী? বেশি করে কুমড়া বড়ি নিয়ে নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করেই সারা বছর রেখে খেতে পারবেন।
0 review for মাসকলাই ডালের কুমড়ো বড়ি kumrobori 250 grams
Warranty Policy
যদি পণ্যের ডেলিভারী সম্পন্ন হয়ে গিয়ে থাকে, তবে পণ্য ফেরত বা পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না।